Unknown: Automatic conversion of false to array is deprecated in /home/blooming/boikini.com/storage/modification/catalog/controller/startup/startup.php on line 103 muktizuddho o oporadh

Hotline: 017 0707 2323 or 017 0707 2333

muktizuddho o oporadh

৳350

নিচের প্রশ্ন গুলোর দিকে একটু লক্ষ করুন-১) অখণ্ড পাকিস্তান কি একটা শক্তিশালী রাষ্ট্র হতে পারতো না?২) ৭ই মার্চ কেন বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা করলেন না? ৩) বঙ্গবন্ধু কেন পালিয়ে গিয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করলেন না?৪) বঙ্গবন্ধু কি সত্যিই স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন? পাকিস্তানী দলিল, মার্কিন দলিল এবং বিদেশি মিডিয়া কি বলে?৫) বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল নায়ক আসলে কে ছিলেন?৬) আওয়ামীলীগের কি স্বাধীনতা নিয়ে আদৌ কোন প্রস্তুতি ছিলো? ৭) জেনারেল ওসমানী কেন আত্মসমর্পণের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলেন না?৮) পাক বাহিনী কি শুধুই ভারতের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলো?৯) বুদ্ধিজীবীদের কেন হত্যা করা হয়েছিল?১০) বুদ্ধিজীবীরা কি নির্বোধের মত মারা গিয়েছিলেন?১১) স্বাধীন দেশে জহির রায়হানকে কারা হত্যা করে? ১২) ১৬ই ডিসেম্বর কি বাংলাদেশের জন্মদিন?১৩) বঙ্গবন্ধু নাকি যুদ্ধাপরাধীদের সাধারণ ক্ষমা করে দিয়েছিলেন?১৪) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আন্তর্জাতিক হলে এটা দেশে কেন?১৫) এতো কম বয়সে কি যুদ্ধাপরাধ করা যায়? ১৬) এতো বছর পর কেন নিরীহ বৃদ্ধ মানুষদের ধরে ধরে বিচার করা হচ্ছে? ১৭) গোলাম আজম/মুজাহিদ/নিজামি-রা কি কোন একক ব্যাক্তিকে হত্যা করেছিল বলে প্রমাণ পাওয়া যায়?১৮) জাতিসংঘ কেন এই বিচারে আসলো না?আপনি যদি বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে থাকেন, আপনার জন্ম আর বেড়ে ওঠা যদি হয়ে থাকে ১৯৭৫ সালের পরে অর্থাৎ আপনি যদি হয়ে থাকেন মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় প্রজন্ম, তাহলে ভালো সম্ভাবনা আছে উপরের প্রশ্নগুলোর মধ্যে কয়েকটা হলেও আপনার মাথার ভেতরে আছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণীত ভাবে আমাদের মাথার ভেতরে বিভ্রান্তি ঢোকানো হয়েছে পচাত্তরের পরবর্তী সময় থেকে। একটা সুস্পষ্ট উদাহরণ দিলে বিষয়টা অনেক বেশি পরিষ্কার হয়ে যাবে। ১৯৯৪ সালের স্বাধীনতার মাসে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা 'প্রোব' বাংলাদেশের স্বাধীনতার ওপর কিছু প্রশ্ন নিয়ে কলেজ পড়ুয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি-প্রত্যাশীদের ওপর একটা জরিপ চালায়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক খুরশিদা বেগমের লেখা “ধস্ত-বিধস্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজনৈতিক বিশ্লেষণ” গ্রন্থে সেই জরিপের কথার উল্লেখ পাওয়া যায়। যাই হোক সেই জরিপের ফলাফল ছিল এরকমঃ১) বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল নায়ক- মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ২) বাংলাদেশের বিজয় দিবস- একুশে ফেব্রুয়ারি৩) বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত 'আমার সোনার বাংলা'র রচয়িতা- কাজী নজরুল ইসলাম৪) শেখ মুজিবর রহমান ছিলেন- একজন সেক্টর কমান্ডারএই জরিপের কথা উল্লেখ করলাম কিছু জিনিস বোঝাতে। এই যে ৭৫ থেকে বর্তমান সময়ে বেড়ে ওঠা প্রজন্ম এই প্রজন্মের অনেকেই আসলে চোখে ঠুলি পরা। এই প্রজন্ম কিছু দেখে নাই, কিছু পড়তে পারে নাই, কিছু জানতে পারে নাই। একেবারেই ঐকান্তিক আগ্রহ করে খোঁজ না করলে জানাটা তখনকার প্রজন্মের জন্য সত্য জানাটা ছিল অসম্ভব। সে হিসেবে আমরা ভাগ্যবান। কিন্তু আমরা কি আসলেই ভাগ্যবান? আমাদের ইতিহাস জানতে দেয়া হয়েছে ঠিকই কিন্তু ইতিহাসকে সরল করা হয়েছে, লঘু করা হয়েছে, অপমান করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের কথা বলতে গেলেই ...আজইরা প্যাচাল... কিংবা ...পুরান প্যাচাল... বলা হয়েছে, পাকিস্তানকে খেলাধুলায় ভালোবাসতে শেখানো হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধকে এই প্রজন্মের কাছে হাসি-তামাশার বিষয়ে পরিণত করা হয়েছে। আমাদের মাথায় স্বাধীনতা বিরোধিতা ঢুকিয়েছে উপরে উল্লেখ করা প্রশ্ন গুলো সহ আরও অনেক প্রশ্ন ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে। এইসব প্রশ্নের রেফারেন্স সহ উত্তর দেয়া আমাদের দায়িত্ব। যে বা যারাই করুক তার বিপরীতে একটা ছোট শক্তি কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের আসল ইতিহাসটাকেও ধরে রেখেছে রাখার চেষ্টা করেছে। অন্ধ-কে না জানার জন্য অপরাধী করা যায় না, আমাদের আগের প্রজন্ম না-হয় অন্ধ ছিল তাই তাদের ক্ষমা করেই দেয়া যায় কিন্তু আমাদের প্রজন্মের যারা সব উপাদান থাকার পরেও মুক্তিযুদ্ধকে অপমান করে তাদের কিছুতেই ক্ষমা করা যায় না। যে জাতি তার নিজের ইতিহাস জানে না, সে জাতি কখনো মাথা উচু করে দাঁড়াতে পারে না। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে তিরিশ লক্ষাধিক মানুষ শহিদ হয়েছে। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে সারা দেশে হাজার খানেক বধ্যভূমি এবং হাজার পাঁচেক গণকবরের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। স্বাধীনতা যুদ্ধের পর সারাদেশে এমন পরিবার খুঁজে পাওয়া দুস্কর হয়ে গিয়েছিলো যারা কোন না কোন ভাবে পাক-বাহিনীর নিপীড়নের শিকার হয় নাই। অথচ এই স্বাধীনতা যুদ্ধের ৪৬ বছরের মাথায়ই এই নিপীড়নের শিকার মানুষদের পরবর্তী প্রজন্ম ভুলে যাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস। যেই মানুষেরা এই স্বাধীনতার জন্য চলে গেছেন তারা তো আর ফিরে আসবে না, তাই একাত্তরের শহিদদের পক্ষ থেকে আমাদেরই দায় রয়েছে স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাসটা খুঁজে বের করার। আর সেই দায় থেকেই এই সংকলন। দেরিতে হলেও এই দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে। আমাদের যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িত দলগুলো অর্থ-বিত্ত আর ক্ষমতায় অনেক উপরে। তারা তাদের সবটুকু ক্ষমতা ব্যাবহার করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে বিতর্কিত করার জন্য। আমরা তাই এই সংকলনে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রচলিত বিভিন্ন অপপ্রচারের উত্তর দেয়ার সাথে সাথে চেষ্টা করেছি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল নিয়ে জনমনে ছড়িয়ে থাকা বিভ্রান্তিগুলোর জবাব দিতে। অনলাইন অফলাইনে যারা স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে ক্রমাগত লড়াই করে যাচ্ছেন তাদের জন্য এই বইটি নিশ্চিত ভাবে একটি গাইডবুক হিসেবে কাজ করবে। আশা করি বইটি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষদের ভালো লাগবে।..

  • Brand: SHOBDOSHOILY
  • Product Code: shobdoshoily
  • Availability: In Stock
  • ISBN: 9789849344667
  • Total Pages: 214
  • Edition: 1st
  • Book Language: Bangla
  • Available Book Formats:Hard Cover
  • Year: 2018
  • Publication Date: 2021-09-19

নিচের প্রশ্ন গুলোর দিকে একটু লক্ষ করুন-
১) অখণ্ড পাকিস্তান কি একটা শক্তিশালী রাষ্ট্র হতে পারতো না?
২) ৭ই মার্চ কেন বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা করলেন না?
৩) বঙ্গবন্ধু কেন পালিয়ে গিয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করলেন না?
৪) বঙ্গবন্ধু কি সত্যিই স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন? পাকিস্তানী দলিল, মার্কিন দলিল এবং বিদেশি মিডিয়া কি বলে?
৫) বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল নায়ক আসলে কে ছিলেন?
৬) আওয়ামীলীগের কি স্বাধীনতা নিয়ে আদৌ কোন প্রস্তুতি ছিলো?
৭) জেনারেল ওসমানী কেন আত্মসমর্পণের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলেন না?
৮) পাক বাহিনী কি শুধুই ভারতের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলো?
৯) বুদ্ধিজীবীদের কেন হত্যা করা হয়েছিল?
১০) বুদ্ধিজীবীরা কি নির্বোধের মত মারা গিয়েছিলেন?
১১) স্বাধীন দেশে জহির রায়হানকে কারা হত্যা করে?
১২) ১৬ই ডিসেম্বর কি বাংলাদেশের জন্মদিন?
১৩) বঙ্গবন্ধু নাকি যুদ্ধাপরাধীদের সাধারণ ক্ষমা করে দিয়েছিলেন?
১৪) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আন্তর্জাতিক হলে এটা দেশে কেন?
১৫) এতো কম বয়সে কি যুদ্ধাপরাধ করা যায়?
১৬) এতো বছর পর কেন নিরীহ বৃদ্ধ মানুষদের ধরে ধরে বিচার করা হচ্ছে?
১৭) গোলাম আজম/মুজাহিদ/নিজামি-রা কি কোন একক ব্যাক্তিকে হত্যা করেছিল বলে প্রমাণ পাওয়া যায়?
১৮) জাতিসংঘ কেন এই বিচারে আসলো না?
আপনি যদি বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে থাকেন, আপনার জন্ম আর বেড়ে ওঠা যদি হয়ে থাকে ১৯৭৫ সালের পরে অর্থাৎ আপনি যদি হয়ে থাকেন মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় প্রজন্ম, তাহলে ভালো সম্ভাবনা আছে উপরের প্রশ্নগুলোর মধ্যে কয়েকটা হলেও আপনার মাথার ভেতরে আছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণীত ভাবে আমাদের মাথার ভেতরে বিভ্রান্তি ঢোকানো হয়েছে পচাত্তরের পরবর্তী সময় থেকে। একটা সুস্পষ্ট উদাহরণ দিলে বিষয়টা অনেক বেশি পরিষ্কার হয়ে যাবে। ১৯৯৪ সালের স্বাধীনতার মাসে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা 'প্রোব' বাংলাদেশের স্বাধীনতার ওপর কিছু প্রশ্ন নিয়ে কলেজ পড়ুয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি-প্রত্যাশীদের ওপর একটা জরিপ চালায়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক খুরশিদা বেগমের লেখা “ধস্ত-বিধস্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজনৈতিক বিশ্লেষণ” গ্রন্থে সেই জরিপের কথার উল্লেখ পাওয়া যায়। যাই হোক সেই জরিপের ফলাফল ছিল এরকমঃ
১) বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল নায়ক- মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
২) বাংলাদেশের বিজয় দিবস- একুশে ফেব্রুয়ারি
৩) বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত 'আমার সোনার বাংলা'র রচয়িতা- কাজী নজরুল ইসলাম
৪) শেখ মুজিবর রহমান ছিলেন- একজন সেক্টর কমান্ডার
এই জরিপের কথা উল্লেখ করলাম কিছু জিনিস বোঝাতে। এই যে ৭৫ থেকে বর্তমান সময়ে বেড়ে ওঠা প্রজন্ম এই প্রজন্মের অনেকেই আসলে চোখে ঠুলি পরা। এই প্রজন্ম কিছু দেখে নাই, কিছু পড়তে পারে নাই, কিছু জানতে পারে নাই। একেবারেই ঐকান্তিক আগ্রহ করে খোঁজ না করলে জানাটা তখনকার প্রজন্মের জন্য সত্য জানাটা ছিল অসম্ভব। সে হিসেবে আমরা ভাগ্যবান।
কিন্তু আমরা কি আসলেই ভাগ্যবান?
আমাদের ইতিহাস জানতে দেয়া হয়েছে ঠিকই কিন্তু ইতিহাসকে সরল করা হয়েছে, লঘু করা হয়েছে, অপমান করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের কথা বলতে গেলেই ...আজইরা প্যাচাল... কিংবা ...পুরান প্যাচাল... বলা হয়েছে, পাকিস্তানকে খেলাধুলায় ভালোবাসতে শেখানো হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধকে এই প্রজন্মের কাছে হাসি-তামাশার বিষয়ে পরিণত করা হয়েছে। আমাদের মাথায় স্বাধীনতা বিরোধিতা ঢুকিয়েছে উপরে উল্লেখ করা প্রশ্ন গুলো সহ আরও অনেক প্রশ্ন ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে। এইসব প্রশ্নের রেফারেন্স সহ উত্তর দেয়া আমাদের দায়িত্ব।
যে বা যারাই করুক তার বিপরীতে একটা ছোট শক্তি কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের আসল ইতিহাসটাকেও ধরে রেখেছে রাখার চেষ্টা করেছে। অন্ধ-কে না জানার জন্য অপরাধী করা যায় না, আমাদের আগের প্রজন্ম না-হয় অন্ধ ছিল তাই তাদের ক্ষমা করেই দেয়া যায় কিন্তু আমাদের প্রজন্মের যারা সব উপাদান থাকার পরেও মুক্তিযুদ্ধকে অপমান করে তাদের কিছুতেই ক্ষমা করা যায় না। যে জাতি তার নিজের ইতিহাস জানে না, সে জাতি কখনো মাথা উচু করে দাঁড়াতে পারে না। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে তিরিশ লক্ষাধিক মানুষ শহিদ হয়েছে। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে সারা দেশে হাজার খানেক বধ্যভূমি এবং হাজার পাঁচেক গণকবরের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। স্বাধীনতা যুদ্ধের পর সারাদেশে এমন পরিবার খুঁজে পাওয়া দুস্কর হয়ে গিয়েছিলো যারা কোন না কোন ভাবে পাক-বাহিনীর নিপীড়নের শিকার হয় নাই।
অথচ এই স্বাধীনতা যুদ্ধের ৪৬ বছরের মাথায়ই এই নিপীড়নের শিকার মানুষদের পরবর্তী প্রজন্ম ভুলে যাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস। যেই মানুষেরা এই স্বাধীনতার জন্য চলে গেছেন তারা তো আর ফিরে আসবে না, তাই একাত্তরের শহিদদের পক্ষ থেকে আমাদেরই দায় রয়েছে স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাসটা খুঁজে বের করার। আর সেই দায় থেকেই এই সংকলন।
দেরিতে হলেও এই দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে। আমাদের যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িত দলগুলো অর্থ-বিত্ত আর ক্ষমতায় অনেক উপরে। তারা তাদের সবটুকু ক্ষমতা ব্যাবহার করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে বিতর্কিত করার জন্য। আমরা তাই এই সংকলনে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রচলিত বিভিন্ন অপপ্রচারের উত্তর দেয়ার সাথে সাথে চেষ্টা করেছি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল নিয়ে জনমনে ছড়িয়ে থাকা বিভ্রান্তিগুলোর জবাব দিতে।
অনলাইন অফলাইনে যারা স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে ক্রমাগত লড়াই করে যাচ্ছেন তাদের জন্য এই বইটি নিশ্চিত ভাবে একটি গাইডবুক হিসেবে কাজ করবে। আশা করি বইটি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষদের ভালো লাগবে।

Write a review

Note: HTML is not translated!
    Bad           Good