Trina
ত্রিনা এক স্বপ্নচারী ইরা, সে প্রকৃতির মাঝে মুক্তভাবে বিচরণ করতে ভালোবাসে। তার পাহাড়, ঝরণা, সমুদ্র ভালো লাগে, তাই তুরিণ পাহাড়ে বসে দূর সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে থাকে। তারপরও তার মন উদাস হয়ে ওঠে, ইরণের শৃঙ্খলিত জীবন তার ভালো লাগে না। রোবট নিয়ন্ত্রিত সেন্ট্রাল কম্পিউটার এবং বায়োনেট প্রতিটা ইব, ইরা’র জীবন ন্যানো চিপসে বন্দী করে রেখেছে। তারা চায় ইরণবাসী তাদের মতো, স্বপ্নহীন, কল্পনাহীন, নিরাসক্ত জীবন যাপন করুক। এক সময় ত্রিনা জেনে যায়, সে কোনো ইব বা ইরা নয়, সে একজন মানুষ। রোবটরা তাদের পূর্ব পরিচয় মুছে এক রোবটিক জীবন দিয়েছে। তাই সে এ রোবটিক জীবন থেকে বেরিয়ে আসতে চেষ্টা করে। ঘটনা পরিক্রমায় তার সাথে পরিচয় ঘটে নাবিলের, সেও আর এক মুক্ত-স্বাধীন জগতের মানুষ, সারাক্ষণ সমুদ্র নিয়েই থাকে, ঘর তাকে আটকে রাখতে পারে না।শেষ পর্যন্ত এ দু’জন ইব, ইরার রবোটিক জীবন থেকে বের হয়ে আসার প্রচেষ্টা কী সফল হয়েছিল? তারা কি পেরেছিল, ইরণবাসীর প্রকৃত পরিচয় ফিরিয়ে দিতে! এসব জটিল ঘটনার সমীকরণ মেলাতে, একটা অভিনব জীবন প্রবাহ নিয়ে রচিত বিজ্ঞান কল্পকাহিনী ‘ত্রিনা’।..
- Reward Points: 10
- Brand: PORIBAR PUBLICATIONS
- Product Code: 9275077
- Availability: In Stock
- Author Name: Mohammad Nurul Huda ,
- ISBN: 9789849275077
- Total Pages: 64
- Edition: 2nd
- Book Language: Bangla
- Available Book Formats:Hard Cover
- Year: 2020
ত্রিনা এক স্বপ্নচারী ইরা, সে প্রকৃতির মাঝে মুক্তভাবে বিচরণ করতে ভালোবাসে। তার পাহাড়, ঝরণা, সমুদ্র ভালো লাগে, তাই তুরিণ পাহাড়ে বসে দূর সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে থাকে। তারপরও তার মন উদাস হয়ে ওঠে, ইরণের শৃঙ্খলিত জীবন তার ভালো লাগে না। রোবট নিয়ন্ত্রিত সেন্ট্রাল কম্পিউটার এবং বায়োনেট প্রতিটা ইব, ইরা’র জীবন ন্যানো চিপসে বন্দী করে রেখেছে। তারা চায় ইরণবাসী তাদের মতো, স্বপ্নহীন, কল্পনাহীন, নিরাসক্ত জীবন যাপন করুক। এক সময় ত্রিনা জেনে যায়, সে কোনো ইব বা ইরা নয়, সে একজন মানুষ। রোবটরা তাদের পূর্ব পরিচয় মুছে এক রোবটিক জীবন দিয়েছে। তাই সে এ রোবটিক জীবন থেকে বেরিয়ে আসতে চেষ্টা করে। ঘটনা পরিক্রমায় তার সাথে পরিচয় ঘটে নাবিলের, সেও আর এক মুক্ত-স্বাধীন জগতের মানুষ, সারাক্ষণ সমুদ্র নিয়েই থাকে, ঘর তাকে আটকে রাখতে পারে না।
শেষ পর্যন্ত এ দু’জন ইব, ইরার রবোটিক জীবন থেকে বের হয়ে আসার প্রচেষ্টা কী সফল হয়েছিল? তারা কি পেরেছিল, ইরণবাসীর প্রকৃত পরিচয় ফিরিয়ে দিতে! এসব জটিল ঘটনার সমীকরণ মেলাতে, একটা অভিনব জীবন প্রবাহ নিয়ে রচিত বিজ্ঞান কল্পকাহিনী ‘ত্রিনা’।
সমকালীন বাংলা কবিতার অন্যতম শীর্ষ কণ্ঠস্বর আমাদের সময়ের বহুমাত্রিক আলোকমানুষ মুহম্মদ নূরুল হুদা। তাঁর কাব্যপ্রয়াসের কেন্দ্রে রয়েছে ব্যক্তিমানুষ, জাতিমানুষ ও বিশ্বমানুষ। জাতিসত্তার কবিরূপে বহুলনন্দিত তিনি দৈশিক ও বৈশ্বিক মানব-অস্তিত্বের নান্দনিক ভাষ্যকার। তাঁর সৃষ্টিসত্তা নানা নিরীক্ষা, প্রকরণ ও উদ্ভাসে নিয়ত নবায়নপ্রবণ। স্বোপার্জিত কাব্যমুদ্রা ও নন্দনলোকের বরপুত্র এই বাঙালিকবি সমকালীন বিশ্বকবিতারও এক তাৎপর্যপূর্ণ কারুকৃৎ।মুহম্মদ নূরুল হুদা ১৯৪৯ সালের ৩০শে সেপ্টেম্বর বৃহত্তর চট্টগ্রামের কক্সবাজার জেলার পোকখালী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মোহাম্মদ সেকান্দর, মাতা আঞ্জুমান আরা বেগম। মূলত কবি তিনি। তবে কথাসাহিত্য, মননশীল প্রবন্ধ, কলাম ও অনুবাদসহ সাহিত্যের প্রায় সব শাখাতেই তিনি বিচরণশীল। তিনি বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় সৃষ্টিশীল। অতিপ্রজ ও সব্যসাচী এই লেখকের স্বরচিত, অনূদিত ও সম্পাদিত গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক। তাঁর প্রিয় ক্ষেত্র কবিতা, নন্দনতত্ত্ব, মেধাস্বত্ত্ব ও লোকবিদ্যা। সৃষ্টিশীলতার নানাক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সম্মানিত ও পুরস্কৃত। তিনি বাংলা একাডেমীর ফেলো, আমেরিকান ফোকলোর সোসাইটি, ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর ফোক ন্যারেটিভ, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটিসহ নানা আন্তর্জাতিক সংস্থার সম্মানিত সদস্য। তাঁর কবিতাবলি পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত। কাব্যব্যপদেশে তিনি ভ্রমণ করেছেন পৃথিবীর নানাপ্রান্ত।মুহম্মদ নূরুল হুদার প্রাপ্ত পুরস্কারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য একুশে পদক ২০১৫, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৩), যশোর সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৩), আবুল হাসান কবিতা পুরস্কার (১৯৮৩), আওয়ামী শিল্পী সংবর্ধনা (১৯৮৬), বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৮), কক্সবাজার পদক (১৯৮৮), হুমায়ুন কাদির স্মৃতি পুরস্কার (১৯৯৪, উপন্যাসের জন্য), যুক্তরাষ্ট্রের আইএসপি ঘোষিত পয়েট অব ইন্টারন্যাশনাল মেরিট ও পয়েট অব দ্য ইয়ার (১৯৯৫), কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ কর্তৃক প্রদত্ত নজরুল জন্মশতবর্ষ সম্মাননা (১৯৯৯), জীবনানন্দ জন্মশতবর্ষ সম্মাননা (১৯৯৯), কক্সবাজার সাহিত্য একাডেমী পুরস্কার (২০০১), সুকান্ত পুরস্কার (২০০৪), মহাদিগন্ত পুরস্কার (কলকাতা ২০০৭), চয়ন সাহিত্য পুরস্কার (২০০৮) দেশব্যাপী ষাটবর্ষপূর্তি সম্মাননা (২০০৯), নগরচাবি কক্সবাজার (২০০৯), ঢাকাস্থ চট্টগ্রাম সমিতি পুরস্কার (২০১০), একুশ-ঊনিশের ভাষাগৌরব সম্মাননা (ত্রিপুরা সরকার, ২০১২), নগরপ্রতীক কক্সবাজার (২০১২) ইত্যাদি। ১৯৯৭ সালে তুরস্কের রাষ্ট্রপতি সুলেমান ডেমিরিল কর্তৃক তিনি বিশেষ রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত হন। কর্মজীবন শুরু করেছিলেন ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপনা দিয়ে। তারপর বাংলা একাডেমীতে তাঁর চাকরি বদল। এখানেই বিকশিত তাঁর শ্রেষ্ঠ সময়। তিনি এখন বাংলাদেশ রাইটার্স ক্লাব ও বাংলাদেশ রাইটার্স কপিরাইট সোসাইটির সভাপতি। চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি ঢাকার একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগের প্রফেসর, বিভাগীয় প্রধান ও মানবিক অনুষদের ডীন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশের শীর্ষ কপিরাইট বিশেষজ্ঞ জনাব হুদা জেনেভাস্থ আন্তর্জাতিক ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশনের (ওয়াইপো) কনসালট্যান্ট ও বাংলাদেশ কপিরাইট বোর্ডের সদস্য। সমসাময়িক বাংলাদেশে লেখকদের অধিকার সুরক্ষা ও মেধাস্বত্ব আন্দোলনের তিনি পথিকৃৎ। তিনি বিশ্বব্যাপী নান্দনিক কবিতা আন্দোলন ‘কবিতাবাংলা’র সভাপতি ও দরিয়ানগর আন্তর্জাতিক কবিতামেলার প্রবর্তক।

